এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গৃহবধূ ধর্ষণ, স্বামীর মামলা

0
27
মুরারিচাঁদ কলেজ (সংক্ষেপে: এমসি কলেজ) বাংলাদেশের একটি উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি সিলেট শহরের টিলাগড় এলাকায় অবস্থিত এবং বৃহত্তর সিলেটের সবচাইতে পুরনো ও শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

সিলেট নগরীর টিলাগড় এলাকার এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গৃহবধূ গণধর্ষণের ঘটনায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী নারীর স্বামী।

শুক্রবার ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে তার স্বামী বাদী হয়ে সিলেটের শাহপরাণ থানায় মামলা করেছেন। মামলার এজাহারে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে নাম উল্লেখ করা আসামিরা হলেন, এম. সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক আহমদ, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান। আসামিদের মধ্যে তারেক ও রবিউল বহিরাগত, বাকিরা এমসি কলেজের ছাত্র।

পুলিশের বক্তব্য, ওই নারীর (২০) বাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমায়। স্বামীর সঙ্গে নিজেদের গাড়িতে করে শুক্রবার বিকেলে এমসি কলেজ এলাকায় বেড়াতে যান। গাড়িটি চালাচ্ছিলেন তাঁর স্বামী। সন্ধ্যার পর কলেজের প্রধান ফটকের সামনে গাড়িটি রেখে একটি দোকান থেকে তাঁরা কেনাকাটা করেন।

পরে, ফিরে গাড়িতে বসে গল্প করছিলেন তাঁরা। রাত আটটার দিকে পাঁচজন যুবক তাদের গাড়িটি ঘিরে ধরে স্বামী ও স্ত্রীকে জোর করে গাড়ি থেকে নামান। তিনজন যুবক তরুণীকে টেনে ছাত্রাবাসের ৭ নম্বর ব্লকের একটি কক্ষের সামনে নিয়ে যান।

স্বামীকে তখন গাড়িতে আটকে রেখেছিলেন দুজন যুবক। ঘণ্টাখানেক পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হলে তিনি এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের ৭ নম্বর ব্লকের একটি কক্ষের সামনে গিয়ে স্ত্রীকে বিধ্বস্ত অবস্থায় দেখতে পান।

এই ঘটনার পর শুক্রবার রাত ২টার দিকে শাহপরাণ থানা পুলিশের একটি দল এমসি কলেজ অধ্যক্ষের অনুমতি পেয়ে কলেজের ছাত্রাবাসের ৭ নম্বর ব্লকে অভিযান চালায়। এই সময় ছাত্রলীগ নেতা এম সাইফুর রহমানের রুম থেকে পুলিশের দল একটি আগ্নেয়াস্ত্র, চারটি রামদা, একটি ছোরা ও জিআই পাইপসহ দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে।

শাহপরাণ থানার ওসি আব্দুল কাইয়ুম বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে থানা মামলা হয়েছে। পুলিশ আসামিদেরকে গ্রেফতারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। সাইফুর রহমানের রুম থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্র ও ছোরা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

/জাহিদ/এস এন

Leave a Reply