ঢাবির খাবারের মেন্যুতে রাজস্থানি খাসি, বেহেশতি ডাল!

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ক্যান্টিনের খাবারের তালিকায় রাজস্থানি খাসি, বেহেশতি ডাল, উটপাখির ডিম, ইরানি পোলাও+মুরগী, কাশ্মীরি খিচুড়ি+মুরগী সহ বাহারী নামের খাবারের মেন্যুর একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে, জন্ম দিয়েছে আলোচনার।
ঢাবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ক্যান্টিনে আসলেই কি এমন খাবার পাওয়া যাচ্ছে?
খবর নিয়ে জানা গেল, এই মেন্যুটি আসলে ফটোশপ দিয়ে তৈরি। আর এটি যিনি বানিয়েছেন তিনি ঢাবিরই শিক্ষার্থী রহমতউল্লাহ রবিন। কেন এই মেন্যু বানালেন তিনি? এমসিজে নিউজ জানতে চায় রহমতউল্লাহ রবিনের কাছে।

 

ঢাবির খাবারের মেন্যুতে রাজস্থানি খাসি, বেহেশতি ডাল!
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ঢাবির খাবারের মেন্যু
তিনি এমসিজে নিউজকে জানান, আমাদের হলগুলোতে আপনি যদি মুরগী খান ৪০ টাকা গুনতে হবে, স্পেশাল মুরগী খেলে ৫০ টাকা গুনতে হবে৷ ব্যাপারটা হয়েছে কি, একই জিনিস কেবল শুরুতে কিছু একটা লিখে দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। শুধু মুরগী না, সবগুলো আইটেমেই একই কাজ করে। এগুলো নিয়ে সবসময় কথা হয়, প্রতিবাদ হয়। কিন্তু স্থায়ী কোনো সমাধান পাওয়া যায় না। তাই আমি ভিন্ন কিছু করার চিন্তা করি। যাতে এই ব্যাপারগুলো সবার কাছে পৌঁছায়।
তিনি বলেন, এই চিন্তা থেকে হলের ক্যান্টিনে গিয়ে খাবারের মেন্যুর একটা ছবি তুলে নিয়ে এসে ফটোশপ দিয়ে ক্যান্টিনের মতো করে একটা মূল্য তালিকা সম্পাদনা করি। আসলে উদ্দেশ্য ছিলো এমন যে, মজাও হবে পাশাপাশি এটা ছড়াবে, মানুষ জানবে বিষয়গুলো।
তিনি আরও বলেন, হল প্রশাসন থেকে যখনই অভিযান চালায়, তখনই পঁচা মাছ-মাংস পাওয়া যায়। কিন্তু হলের ক্যান্টিনগুলো চাইলেই আমাদেরকে ভালো, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়াতে পারে। তাই আমার এই উদ্যোগ।
ছবিটি দেওয়ার পর উদ্দ্যেশ্য কতটুকু সফল হয়েছে তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ক্যান্টিনগুলো আসলে সিন্ডিকেটে চলে। এক-দুইজনে মিলে তাদের সাথে কিছুই করা যাবে না। এখন অবশ্য ছবিটি নিয়ে কথা হচ্ছে, এই বিষয় নিয়েও হচ্ছে। দেখা যাক কী হয়।
/রিদওয়ান, অনন

সর্বশেষ

Leave a Reply